• শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

২০২০ সালের বিষে ভরা শেষ সূর্য ডুবে গেলো : থেকে গেছে করোনার আতংক

Md. Nazim Uddin
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক:

অনেক মৃত্যু, হতাশা, ক্লান্তি ও নানা ঘটনের মাঝে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা খুনের অঘটনকে করোনার সঙ্গী হিসেবে গণ্য করে শেষ হল আরো একটি বছর। পুরো বছর করোনার আতংক ছড়িয়ে কালের গহ্বরে হারিয়ে গেলো বিষে ভরা ২০২০ সাল।

এবার থার্টিফাস্ট নাইটের আয়োজন করোনা দূর্যোগের কারণে বন্ধ। তবে উল্লেখ করার মতো পর্যটক উপস্থিতি রয়েছে কক্সবাজারে। বছরের শেষ সূর্য ডুবা দেখতে সৈকতে হাজির হয় প্রকৃতি সচেতন পর্যটক ও স্থানীয় আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা। রয়ে গেছে করোনার চরম আতংক।

শীতল আবহাওয়া থাকলেও বর্ষ বিদায়ের শেষ দিনে সূর্য লাল আভা ছাড়িয়ে বিদায় নিয়েছে। শুক্রবারের সূর্যোদয়ের মধ্যদিয়ে পথচলা শুরু হবে ২০২১ খিষ্টাব্দের। ৩৬৫ দিনের সফলতা-ব্যর্থতার হিসাব পেছনে ফেলে পরিচ্ছন্ন আগামীর প্রত্যাশায় ২০২১ সালকে স্বাগত জানিয়েছে সবাই। উন্মুক্ত কোন আয়োজন না থাকলেও নিজেদের মতো করে নতুন বছরকে বরণ করেছে সব শ্রেণীর মানুষ।

করোনার কারণে থার্টিফার্স্ট নাইটের সব ধরণের আয়োজন বন্ধ রয়েছে এবছর। অন্য বছরের মতো কোন তারকা হোটেল স্ব-উদ্যোগেও আভ্যন্তরিণ কোন অনুষ্ঠান রাখেনি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে, পর্যটকসহ স্থানীয়রাও আসে সৈকতে। শীতের কারণে কেউ সমুদ্রে নামেনি। সবাই বালুচরে দাঁড়িয়ে সাগরের গর্জন আর সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন।

এদিকে, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশসহ অন্য আইনপ্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

হোটেল-মোটেল জোনের সী-নাইট হোটেলের ব্যবস্থাপক শফিক ফরাজী বলেন, বিগত বছর গুলোতে থার্টিফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠানে লাখো পর্যটক উপস্থিত হতো। এবার কোন আয়োজন না থাকলেও বিগত সময়ের মতো সৈকতে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। এসেছে স্থানীয়রাও। কিন্তু এবার আতংক সবসময় বিরাজমান ছিল।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর সাহা পরিবার নিয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে সৈকতে এসেছেন। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজারে অবস্থান করায় বিগত বছরের ন্যায় এবারও বছরের শেষ সূর্যাস্থের স্বাক্ষী হতে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে বালিয়াড়িতে যান। স্বাক্ষি হন ২০২০সালের বিদায়ী সূর্যাস্তের। এটি খুবই উপভোগ্য বলে মনে করছেন সমীর সাহা।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ জানান, থার্টিফার্স্ট নাইটে দেশের সবচেয়ে বড় মিলন মেলা বসত কক্সবাজার সৈকতে। এবার অনুষ্ঠান না থাকলেও লোকসমাগম ভালোই হয়েছে বলে জেনেছি। নতুন বছর বরণ ও বর্ষ বিদায়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আলোকিত করা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, অনুষ্ঠান না থাকলেও পর্যটন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছে। যেকোন অপ্রীতিকর অবস্থা রোধে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে।

SuperWebTricks Loading...

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 − four =

আরো বিভন্ন বিভাগের নিউজ