কক্সবাজারে ১৪ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে ২০ সেপ্টেম্বর। এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন। স্থানীয়রা নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতার আশঙ্কা করলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজার ডিসি মো. মামুনুর রশীদ জানান, নির্বাচনে যদি কোনো প্রার্থী সহিংসতার চেষ্টা করে, তাহলে তিনি যতই শক্তিশালী এমনকি পরিচিত বা অপরিচিত প্রার্থী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে বহিরাগত বা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের নির্বাচনি এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না।
মহেশখালী পৌর এলাকার অনেকে নাম গোপন রাখা শর্তে সময়ের আলোকে জানান, স্থানীয় এমপি আশেক উল্লাহ রফিক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র রাজাকার পুত্র মকসুদ মিয়া। গতবার ও এবারও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সরওয়ার আজম বিএ। যিনি আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা তার প্রচুর সমর্থক থাকায় গতবারও ভোটের দিন ৪ জন নিহত হন গোলাগুলিতে। এবারও ঝামেলা হবে আরও বেশি।
এদিকে ১৪ ইউনিয়নের মধ্যে ৮ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী না থাকলেও ক্ষমতাসীন দলের একাধিক প্রার্থী রয়েছে মাঠে। ইতোমধ্যে ১২ জন আওয়ামী লীগ নেতা যারা দলের বাইরে সিদ্ধান্তে গিয়ে নির্বাচন করছেন তাদের আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ১৪ ইউনিয়ন হলো- মহেশখালীর হোয়ানক, মাতারবাড়ী ও কুতুবজোম। কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল, বড়ঘোপ, দক্ষিণধুরং, কৈয়ারবিল, লেমশীখালী ও উত্তরধুরুং। পেকুয়ার টেটং। টেকনাফের হ্নীলা, সাবরাং, টেকনাফ ও হোয়াইক্যং। এ ছাড়া দুই পৌরসভা হচ্ছে চকরিয়া ও মহেশখালী।
সুত্র: সময়ের আলো
সম্পাদক ও প্রকাশক : মনছুর আলম, নির্বাহী সম্পাদক : নাজিম উদ্দীন
অফিস : হোটেল গ্রীণ ভ্যালি বিজনেস কমপ্লেক্স , ৪র্থ তলা (দৈনিক মেহেদী), প্রধান সড়ক, পৌরসভা, কক্সবাজার।