• মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন

‘চাকমারকুল মাদ্রাসায় গুলি বর্ষণের ঘটনাকে উল্টো প্রচার করেছে সন্ত্রাসীরা’ সংবাদ

সংবাদদাতা
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিজ্ঞপ্তিঃ ১০ সেপ্টেম্বর দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘চাকমারকুল মাদ্রাসায় গুলির শব্দ, আতঙ্কে ছাত্রদের ছোটাছুটিঃ দাতা সদস্যদের অভিযোগ মুহতামিম সিরাজের দিকে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার অপচেষ্টার অংশবিশেষ। ঘটনায় জড়িতরাই সাজানো সংবাদটি সরবরাহ করেছে। ৯ সেপ্টেম্বর কি ঘটনা ঘটেছে? তা শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নয়, এলাকাবাসীও প্রত্যক্ষ করেছে। এমন অমানবিক ও নির্লজ্জ ঘটনা সভ্য সমাজে হতে পারে না। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণে এতিমসহ ৮ জন নিরীহ ছাত্র আহত করেও ক্ষান্ত হয়নি। বরং মানুষরূপী হায়েনাগুলো সত্য ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রত্রিকায় উল্টো সংবাদ ছাপিয়েছে। অথচ কারা গুলিবর্ষণের ঘটনাটি ঘটিয়েছে? তা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে প্রত্যক্ষ করেছে রামু থানা পুলিশ। নানা কারণে বিতর্কিত হয়ে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কৃত শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার মূল হোতা। তার সাথে ইন্ধনদাতা হিসেবে কাজ করেছে নানা কারণে সমালোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তি নুরুল আলম। এই দুই জনের কারণে শুধু মাদরাসা নয়, পুরো এলাকাবাসী অতীষ্ঠ। বহিস্কারের ক্ষোভে আবদুর রাজ্জাকের সাথে মুহতামিমের ব্যক্তিগত বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার মতো কর্মকাণ্ড কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না। দুঃখের বিষয়, ব্যক্তিগত আক্রোশকে বারবার প্রতিষ্ঠানের উপর দিয়ে চালিয়ে দিচ্ছে আব্দুর রাজ্জাক, নুরুল আলম ও তাদের লালিত কিছু দুর্বৃত্ত। ইতোপূর্বে মাদ্রাসার ক্লাস রুটিন ছিঁড়ে ফেলা, শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকি, একের পর এক মিথ্যা ও সাজানো মামলাসহ এ পর্যন্ত অনেক ঘৃণিত কান্ড ঘটিয়েছে আব্দুর রাজ্জাক। তাতেও মনের জ্বালা না মেটায় মাদ্রাসা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়ার কুমানসে এবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। স্বার্থের কাছে অন্ধ ব্যক্তিরা ছাড়া কোন বিবেকবান মানুষ এমন সন্ত্রাসী ঘটনা সমর্থন করতে পারে না। দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দাতা সদস্যের বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা। বহিষ্কৃত শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাটির সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছে। হামলাকারীরা আগেরদিন (৮ সেপ্টেম্বর) জুহরের নামাজের পর মসজিদের মাইকে মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। মসজিদে সুন্নত নামাজ পড়তে দেয়নি। মাদরাসার গেইটে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। কোন শিক্ষক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করলে তাদের মারধরের হুমকি প্রদান করে। প্রকাশ্যে এমন ঘোষণায় ওই দিন জুহরের নামাজ পড়তে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মুসল্লিরাসহ পুরো এলাকাবাসি আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় পরের দিনই গুলিবর্ষণের ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। এতকিছুর পরও মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসনের আন্তরিকতাপূর্ণ ভূমিকায় পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক। তবে, একটি ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একের পর এক ঘটনার জন্ম দাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছে চাকমারকুলের সর্বস্তরের মানুষ। সেই সাথে ন্যাক্কারজনক ঘটনার মূল নায়ক আব্দুর রাজ্জাক, নুরুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মুহতামিম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − four =

আরো বিভন্ন বিভাগের নিউজ