নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকার এক গরু ব্যবসায়ীকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, খরুলিয়া বাজার পাড়া এলাকার মাদক ও হত্যা মামলার পলাতক আসামীরা। ঘটনাটি ঘটেছে ১১ জুন খরুলিয়া হিন্দুপাড়া এলাকাস্থ সরকারী রাস্তার উপরে। এই ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ৪ জন কে অভিযুক্ত করে ১৩ই জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডাইরি করেছে ঝিলাংজা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খরুলিয়া নয়া পাড়া এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম সওদাগর। সাধারণ ডাইরি নং ৮৬৭।
অভিযুক্তরা হলেন, খরুলিয়া বাজারপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মাদক ও হত্যা মামলার পলাতক আসামি শওকত আলী (পুতু), দেলোয়ার, দেলোয়ারের ছেলে মেহেদী, মৃত হাসানের ছেলে ইউসুফ আলী।
জাহাঙ্গীর আলম সওদাগর জানান ঘটনার দিন আমি বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাকে একা পাইয়া সন্ত্রাসীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেয় যে সুযোগে পাইলে যে কোন সময় আমাকে মারিবে, কাটিবে, এবং হত্যা করে লাশ গুম করে পেলবে ও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হবে বলে জানান, তাই আমি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আইনগত সহযোগিতা পাওয়ার জন্য থানায় সাধারণ ডাইরি লিপিবদ্ধ করি। থানায় সাধারণ ডাইরি করার খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে যায়, পুনরায় গত ৫ই জুলাই রাত ৮টার সময় খরুলিয়া বাজারস্থ গরু বিক্রি করার জন্য আমি জায়গা নির্ধারণ করার জন্য যাওয়ার সময় বিবাদীদের বাড়ির সামনে পোঁছলে তারা আমাকে আবারও পুনরায় হুমকি দিয়ে জানান, আমাদের বিরুদ্ধে থানার জিডি ও জামাল হত্যা মামলা তুলে না নিলে তোমাকেও একই পরিনতি বুক করতে হবে।
উল্লেখ যে গত ৭ই জুলাই ২০২১ ইংরেজি রাতে আমার চাচা শাশুড় খরুলিয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার মৃত ফজল কবিরের ছেলে জামালকে লোহার রড় ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মাথা এবং শরিরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত করে মৃত ভেবে রাস্তার উপর পেলে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা, এক টমটম চালক বাড়ি ফেরার পথে জামালকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে জামালের বাড়িতে খবর দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, সেখানে থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করে। কিন্তু আর্থিক অনটনের করণে জামালকে আবারও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, ১২ই জুলাই ২০২১ইং সোমবার বেলা ১২টার সময় সদর হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন জামাল। এই ঘটনায় নিহত জামালের ভাই কামাল উদ্দিন বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় ১৫ জুলাই ২০২১ইং ইউসুফ আলীর ছেলে শওকত আলীকে প্রধান আসমী করে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামালা দায়ের করেন। কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং ২৪/২০২১।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম সওদাগর আরও জানান, উপরে উল্লিখিত হত্যা মামলার রেশ ধরে পলাতক আসামীরা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চাই।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মনছুর আলম, নির্বাহী সম্পাদক : নাজিম উদ্দীন
অফিস : হোটেল গ্রীণ ভ্যালি বিজনেস কমপ্লেক্স , ৪র্থ তলা (দৈনিক মেহেদী), প্রধান সড়ক, পৌরসভা, কক্সবাজার।