কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জুয়েলার্স, কাপড়ের দোকানসহ ৯টি দোকানে ডিলিং লাইসেন্স না থাকার দায়ে
৯টি মামলার বিপরীতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাহাত উজ জামানের নেতৃত্বে পৃথক ভাবে অভিযান পরিচালনা করে এ অর্থদন্ড প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পণ্যের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে স্ব স্ব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে আলাদাভাবে ‘ডিলিং লাইসেন্স’ নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু চকরিয়া পৌরশহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা সরকারি নির্দেশনা না মেনে অতিরিক্ত পণ্য মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে
অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ সালের আইন ব্যতিরেকে দিব্যি পণ্য বিকিকিনি করে যাচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অভিযানে নামে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) জেপি দেওয়ান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) রাহাত উজ জামানের নেতৃত্বে চকরিয়া নিউ মার্কেট, সুপার মার্কেট, আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্বর্ণের দোকান, কসমেটিকস ও কাপড়ের দোকানসহ ৯টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) জেপি দেওয়ান জানান, ডিলিং লাইসেন্স না নেওয়ায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ
সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৯টি মামলার বিপরীতে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ডের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ডিলিং লাইসেন্স সংগ্রহ করার জন্য পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মনছুর আলম, নির্বাহী সম্পাদক : নাজিম উদ্দীন
অফিস : হোটেল গ্রীণ ভ্যালি বিজনেস কমপ্লেক্স , ৪র্থ তলা (দৈনিক মেহেদী), প্রধান সড়ক, পৌরসভা, কক্সবাজার।