অধরা জামাল, হার্ডওয়্যারের দোকানে বসে নিয়ন্ত্রণ করছে ইয়াবার সিন্ডিকেট

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৪৪ PM, ২১ অক্টোবর ২০১৯

উখিয়া সংবাদদাতাঃ

উখিয়া টেকনাফে গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার বাইরেও রয়ে গেছে বহু মাদক কারবারি। তারা কতিপয় অসৎ সীমান্তরক্ষী ও পুলিশকে মাসোয়ারা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অবৈধ কারবার। পালংখালীর জামাল ওরফে ইয়াবা জামাল একজন চোরাচালানি ডন হিসেবে পরিচিতি পেলেও তিনি বরাবরই অধরা রয়ে গেছেন।

এলাকাবাসী জানায়, পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মৌলভী ইয়াছিনের পুত্র জামাল উদ্দিন ও মুছারখোলা গ্রামের ছব্বির আহাম্মদের পুত্র জয়নাল উদ্দিন সীমান্ত ও ক্যাম্প ভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে সেন্ডিকেট তৈরী করে বর্তমানে ইয়াবার রমরমা কারবার চালিয়ে যাচ্ছে।

শীর্ষ ইয়াবা কারবারী জামাল উদ্দিন প্রকাশ ইয়াবা জামাল পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে ছদ্ম বেসে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে গেছে। ২০১৬ সালে চট্টগাম চান্দগাও থানায় ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে কিছু দিন জেলে থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় শুরু করে মাদকের কারবার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামাল ও তার সহযোগী রোহিঙ্গা আমিনুল জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় স্বর্ণ ও ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার সহোদর ছোট ভাই ও শ্যালক তার ইয়াবা কারবারে মদদ যুগাচ্ছে। স্বর্ণেরবার ও ইয়াবা আটকের ঘটনায় ওই জামালের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের চান্দগাও থানাসহ আরোও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে বলেও জানা যায়।

এসব মামলা মাথায় নিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান, ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসার মতো ভয়ঙ্কর সব অপরাধে জড়িত থাকার পরও জামাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অনেকটা চ্যালেঞ্জ করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বর্ণ ও ইয়াবা গডফাদার জামাল উখিয়ার পালংখালী ষ্টশনে নিজস্ব হার্ডওয়্যারের দোকানে বসেই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীরা অভিযোগ করে বলেন, সে দেশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানকে বৃদ্ধঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার চেইন অব কমান্ড একই গ্রামের একাধিক চিহ্নিত অস্ত্রধারী ও বিবিন্ন দোকানের আড়ালে জমজমাট ইয়াবা ব্যবসা বীরদর্পে চালিয়ে আসলেও দেখার কেউ নেই।

নাফ সীমান্তেরন ভয়ঙ্কর ওই জামাল স্বর্ণ, ও ইয়াবা ব্যবসা করে গত কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। শহরের সিটি কলেজ সাহিত্যিকা পল্লী, এসএমপাড়া সড়কে বিশাল জায়গা কিনে পাকা বাড়ি, পালংখালী ও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিনেছেন কয়েক কোটি টাকার ভুসম্পত্তি। সহযোগিরা সহ তার বর্তমান অবস্থান পালংখালী এলাকায়।

এবিষয়ে পালংখালী বাজার এলাকার সাধারণ মানুষ, ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল মরণনেশা ইয়াবার হাত থেকে তাদের সন্তান, পরিবার, তরুন প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচানোর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহসী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সে কারণে মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে ইয়াবা সম্রাট জামালসহ শীর্ষদের উখিয়া থানাসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এবিষয়ে জানতে জামালের সাথে যোগাযোগের করা হলে তিনি নিউজ না করার শর্তে প্রতিবেদককে অর্থের বিনিময়ে ম্যনেজ করার চেষ্টা করে।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি আবুল মনছুর বলেন, তদন্ত পূর্বক ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িতদেরকে গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :