স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিজয় টিভি ও পূর্বকোণের মহেশখালী প্রতিনিধি হোবাইব সজীবের সৌজন্য সাক্ষাত

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৯:৫০ PM, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মহেশখালী প্রতিনিধিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, বিজয় টিভি ও দৈনিক পূর্বকোণের মহেশখালী প্রতিনিধি এ.এম হোবাইব সজীব ২য় বারের মত সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন।

২ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) সকাল ১০ টার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাস ভবন ঢাকা ধানমন্ডিতে সাংবাদিক হোবাইব সজীব এ সাক্ষাত করেন। উল্লেখ্য গত ২০১৯ সালে ১৩ জানুয়ারী মহেশখালীতে প্রথম দফায় জলদস্যু ও সন্ত্রাসীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে হোবাইব সজীব সৌজন্য সাক্ষাত করে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছিলেন। ২য় বারের মত অপরাধীরা আত্মসমর্পণের পর মহেশখালী উপকূলে শান্তির সু-বাতাস বইতে শুরু করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বিষয়টি অবহিত করতে সৌজন্য সাক্ষাত করে দীর্ঘক্ষণ আলাপ আলোচনা করেছেন সাংবাদিক হোবাইব সজীব।

গত ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্রের ৬টি জলদস্যু এবং সন্ত্রাসী বাহিনীর আত্মসমর্পণে সাংবাদিক হোবাইব সজীব উদ্বুদ্ধ করায় তার কৃতিত্ব রয়েছে। তবে ৫ টি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্যস্থকারী ছিলেন দেশব্যাপি তকমা সৃষ্টিকারী সাংবাদিক আকরাম হোসেন। তাছাড়া ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করা ৯৬ জন জলদস্যু, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের কারিগর সাংবাদিক আকরাম হোসেনর মধ্যস্থায়।

সাক্ষাতকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক হোবাইব সজীবকে বলেন, মহেশখালীর মতো পাহাড় ও সাগর বেষ্টিত সন্ত্রাসী জনপদ আপনাদের মত স্থানীয় সাংবাদিকরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে জলদস্যু বাহিনী, সন্ত্রাসী ও অস্ত্র কারিগরদের মধ্যে জনসচেতনা সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া ও অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উদ্বুদ্ধ করে অপরাধীদের আত্মসমর্পণের মধ্যস্থকারী সাংবাদিক আকরাম হোসেনকে সহযোগিতা করায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে দেশের উত্তর অঞ্চলের মত সুন্দর বনের পর দক্ষিণ অঞ্চল বৃহত্তর চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে জলদস্যু বাহিনী, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের কারিগরদের আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে।

ভবিষ্যতেও আপনাদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। এবং বাকি অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে আমার প্রশাসন তোমাদের মত সাংবাদিকদের সহযোগিতা করে যাবে। আর যে সব অপরাধীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে তাঁদেরকে নিজ এলাকায় বসবাস করতে প্রশাসনিক সহযোগিতা করা হবে। সে ভাবে নির্দেশ রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্প মহেশখালীতে হতে যাচ্ছে ফলে মহেশখালীকে সিঙ্গাপুরের আদলে সাজানো হবে। এছাড়াও কক্সবাজার উপকূল শান্তির পথে তবে সাগরে ও স্থলে বাকিরা দস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না আসলে অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমার প্রশাসন তাদের উপর কঠোর নজরদারী করছে। এবং যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে পূর্বের পেশায় ফিরে গেলে তাঁদেরকে কঠোর পরিণিত ভোগ করতে হবে বলে ও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ সময় সাংবাদিক হোবাইব সজীব,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সৎ নির্ভর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে মহেশখালীকে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল বলে মহেশখালীর ইতিহাসে আত্মসমর্পণের মত বিরল ঘটনা ঘটে। যা ইতিহাস ও বটে।

হোবাইব সজীব বলেন, চ্যানেল টুয়োন্টিফোরের সাবেক স্টাফ রিপোর্টার ও বর্তমান আনন্দ টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো আকরাম হোসেনের মধ্যস্থতায় আরও কয়েকটি জলদস্যু গ্রুফ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চাচ্ছে। আপনি সদয় হলে যে কোন সময় আরেকটি আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটতে পারে।

অপরদিকে গত ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আত্মসমর্পণ করা ৯৬ জন জলদস্যু, শীর্ষ অস্ত্রের কারিগর এই জানবাজ গণমাধ্যম কর্মীর মধ্যস্থতায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি, আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) এর কাছে ভয়ংকর ১৫৫ অস্ত্র, অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম ও প্রচুর গোলাবারুদ সহ আত্মসমর্পণ করে।

এছাড়া ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মহেশখালীতে আত্মসমর্পণকৃত ৬ টি কুখ্যাত সশস্ত্র জলদস্যু বাহিনীর ৪৩ জন জলদস্যুর মধ্যে ৫ টি সশস্ত্র ভয়ংকর বাহিনীর ৩৭ জন জলদস্যুকে মধ্যস্থতা করে আত্মসমর্পণ করিয়েছিলেন গণমাধ্যম কর্মী এম.এম আকরাম হোসাইন। যে ৪৩ জন জলদস্যু এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। অপরদিকে জলের কুমিরকে ডাঙ্গায় আনতে অপরাধীদের মধ্যস্থকারী সাংবাদিক আকরাম ও উদ্বুদ্ধকারী এই প্রতিভাবান গণমাধ্যমকর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং এ কাজ সারাদেশে সাড়া ফেলেছে।

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোঃ শাহ ঘোনা গ্রামের বাসিন্দা তৎকালীন জমিদার মরহুম খাইরুল্লাহ মাতাব্বরের নাতী মৃত মোজাফফার আহমদের পুত্র এ.এম হোবাইব সজীব। কলমের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্রাইমজোনের বাঘা-বাঘা সন্ত্রাসীদের বুঝিয়ে আলোর পথে এনে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ছিল যার নেশা। স্থানীয় সাংবাদিক হোবাইব সজীব জলদস্যু, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রকারিগদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে উদ্বুদ্ধ করে দেশের আলোচিত সাংবাদিক আনন্দ টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান. এম আকরাম হোসেনের মধ্যস্থায় উপকূলের জলদস্যু সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পণ করে।
কিন্তু সাংবাদিক হোবাইবের ছোটকাল থেকেই সখ ছিল মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করবেন। দুঃসাহসী জানবাজ এই গণমাধ্যমকর্মী। তবে তিনি বুদ্ধিবিচক্ষণতা ও সাহসিকতা ধরে রেখে নিজ গুনে অনেক দূর এগিয়েছেন। ২০০৪ সালে সাবেক স্থানীয় দৈনিক দৈনন্দিন ও জাতীয় দৈনিক খবরের মাধ্যমে হাতে খড়ি থেকেই নিজেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ফেলেন। যে সব দস্যু ও সন্ত্রাসীদের কারণে তটস্থ উপকূলের মানুষ, ওই সব মানুষ গুলোকে কাবু করেছেন সাংবাদিক হোবাইব সজীব। একের পর এক জলদস্যু, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রকারিগরদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী রিপোর্ট করায় ঠনক নড়ে আইশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ও উপরে মহলে। তবে সেই নিষিদ্ধ জগতের মানুষের সাথে সু-কৌশলে সম্পর্ক করে জীবন বাজী রেখে তাদের আলোর মুখ দেখিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ফিরিয়ে আনাই হোবাইব সজীবের ছিল নেশা। আইন প্রয়োগকারী বাহিনী যখন এসব পেশাদার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হিমশিম হয়ে পড়েন-তখন একজন সাধারণ মানুষ হয়ে নিষিদ্ধ ও অন্ধকার জগতের এসব কুখ্যাত অপরাধীদের সাথে তিনি দূতিয়ালি করে নির্ভয়ে জানবাজী রেখে তাঁদেরকে আকরাম হোসেনের মধ্যস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরাতে প্রাণান্ত চেষ্টা করেন হোবাইব সজীব।

আর যখন তিনি দেখতে পান, দূতিয়ালি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া ভয়ংকর সশস্ত্র অপরাধীরা স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ব্যস্ত, তখনি তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্বুদ্ধকারী হিসাবে গর্ববোধ করেন, পুলকিত হন। কারণ-এই প্রক্রিয়াতে অপরাধী, রাষ্ট্র ও জনগণ সবাই খুবই উপকৃত হন। পেশা, জস, খ্যাতি কিংবা অর্থের জন্য নয়, শুধুমাত্র দায়িত্ববোধ, বিবেকের তাড়না ও দেশপ্রেম থেকেই এই বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ এ কাজটি করতে জলদস্যুদের মধ্যস্থকারী সাংবাদিক আকরাম হোসেনকে তিনি স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবে সহযোগিতা করে থাকেন। কক্সবাজার উপকূলে শান্তি ফিরাতে দেশ বরণ্য আলোচিত সাংবাদিক এম আকরাম হোসাইনকে সহযোগিতা করায় এ দুঃসাহসিক কাজ তাঁকে এনে দিচ্ছে একের পর এক বিরল সম্মাননা।

আপনার মতামত লিখুন :