টেকনাফ শামলাপুরে মাবুদ হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৫৮ AM, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

চ্যানেল কক্স ডেক্স:
সোমবার সকাল ১০টায় টেকনাফ উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের শাপলাপুর বাজারে স্থানীয় ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রশিদ আহমদের পূত্র ফার্মেসী ব্যবসায়ী আবদুল মাবুদ( ৩৩) হত্যাকারীদের সুবিচার চেয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন অত্র এলাকার জনগণ।
এতে ২৪ ফেব্রুয়ারি সাকাল ১০ টায় বাহারছড়া ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামসহ, শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও টেকনাফ জাতীয় পার্টির আহবায়ক মাষ্টার এম,এ মনজুর, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান, সাবেক মেম্বার ছৈয়দুল ইসলাম, শামশুল ইসলাম, মোঃ ইসলাম, বাহারছড়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আবদুল জাব্বার, যুবলীগ নেতা এটিএম শামশুল আলম, কমিনিউটি পুলিশিং ফোরামের বাহারছড়া ইউনিয়ন সভাপতি আজিজ উল্লাহসহ। উক্ত মানব বন্ধনে এলাকার মুরুব্বী সমাজ, যুব সমাজ, ও ছাত্র সমাজ সহ শত শত মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, সহজ সরল ভদ্র মানুষ নামে পরিচিত আবদুল মাবুদের হত্যাকারীদের যেন শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হয়। হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে প্রশাসন যেন আন্তরিকভাবে কাজ করে।
উল্লেখ্য জমি সক্রান্ত বিরোধের কারণে বিচার সালিশ চলাকালীন গত ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ইং শামলাপুর পুরান পাড়ার মৃত নুরুন্নবীর পূত্র মানব পাচারকারী জামাল উদ্দীনের নেতৃত্বে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে ৩সন্তানের জনক আবদুল মাবুদসহ ৫জনের উপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এতে আবদুল মাবুদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ধারালো অস্ত্র ও লাঠির আঘাতে তার মাথা তেঁতলে দেয় সন্ত্রাসীরা। পরে আবদুল মাবুদসহ আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখান হতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেকে প্রেরণ করা হয়। আবদুল মাবুদ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ ফেব্রুয়ারী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
অপরদিকে আবদুল মাবুদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার বিচার চেয়ে তার ছোট ভাই মোঃ রাশেদ বাদী হয়ে হামলাকারী জামালসহ ১৫ জনকে আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় গত ১০ ফেব্রুয়ারী একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার ২৭/২০। মামলাটি দায়েরের পর হতে এখনো কোনো আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে বাহাছরড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন আবদুল মাবুদের হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। হত্যাকারীরা যেখানে থাকুক না কেন আমরা জোর চেষ্টায় তাদের বের করব।

আপনার মতামত লিখুন :