ক্রয়ের ২ মাসে নষ্ট ওয়াশিং মেশিন, ভোক্তা অধিকারে অভিযোগে পুরো টাকা ফেরত

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:৫০ PM, ২৪ মার্চ ২০২০

ইমাম খাইর, কক্সবাজার
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যক্রম দিনদিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। মাঠে কাজ করার জনবল কম হলেও পাচ্ছে গ্রহণযোগ্যতা। তথ্য প্রমাণভিত্তিক কোন অভিযোগ ফেলে রাখা হয় না। আমলে নিয়ে কার্যকরে মাঠে নামে সংশ্লিষ্ট কর্তারা।
তার জলন্ত দৃষ্টান্ত কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ খায়রুজ্জামানের একটি অভিযোগ।
পুলিশ হিসেবে নয়, একজন সাধারণ ভোক্তা হিসেবেই তিনি অভিযোগটি করেন।
আর সেই অভিযোগ যথাযথ গুরুত্বের সাথে নেন কক্সবাজার অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) মোঃ ইমরান হোসাইন।
মোঃ খায়রুজ্জামানের অভিযোগটি ছিল, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের শেষে দিকে তিনি কক্সবাজার বাটারফ্লাই শো-রুম থেকে ৫১,৪০০ টাকায় একটি ওয়াশিং মেশিন কিনেন।
১ বছরের ওয়ারেন্টি থাকলেও কেনার দুই মাস পর থেকে সমস্যা দেখা দেয়ায় অফিসে অভিযোগ করেন।
একই অভিযোগ বাটার ফ্লাইয়ের কল সেন্টারেও জানান। তাতে সমাধান হয় নি।
সাধারণ ক্রেতা হিসেবে যেসব সেবা দেওয়ার কথা ছিল তা দেয় নি বাটার ফ্লাই কর্তৃপক্ষ। এমনকি আমলেও নেয় নি অভিযোগ।
অবশেষে নাগরিকবোধ থেকে ভোক্তা অধিকারের নির্ধারিত ফরমেটে লিখিত অভিযোগ করেন মোঃ খায়রুজ্জামান।
আর সেই অভিযোগ শুনানী করতে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষকে সামনা সামনি করা হয়।
উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনেন ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মো: ইমরান হোসাইন।
সিদ্ধান্ত হিসেবে আরেকটি ওয়াশিং মেশিন দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তা মেনে নেয় বাটার ফ্লাই প্রতিনিধি।
তাতে ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যান গন্তব্যে।
তাই বলা হয়- অভিযোগে প্রতিকার, যার নাম ভোক্তা অধিকার।
সমঝোতায় সন্তুষ্টির কথা জানালেন, মোঃ খায়রুজ্জামান।
তিনি বলেন, ওয়াশিং মেশিন আরেকটা দেয়ার পরিবর্তে আমাকে মূল টাকা ফেরত দিয়েছে বাটার ফ্লাই কর্তৃপক্ষ। তাতে আমি সন্তুষ্ট।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর কক্সবাজার অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) মোঃ ইমরান হোসাইন বলেন, ভোক্তাদের অধিকার প্রতিষ্টিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। কোন অভিযোগ পেলে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি।এই কাজকে আরো সম্প্রসারিত করতে অফিস সাপোর্ট আরো বাড়ানো দরকার।
মোঃ ইমরান হোসাইন বলেন, বর্তমানে কক্সবাজার ভোক্তা অধিকারে জনবল মাত্র ১ জন। তারপরেও কক্সবাজারের ভোক্তা অধিকারের কাজকে দৃশ্যমান করার জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি ।
তিনি বলেন, যাতে ঢাকা শহরের মত কক্সবাজারও ভোক্তা অধিকার যেন ভোক্তার নিরাপদ আশ্রয় হয়, সহয়োগিতা চাই।

আপনার মতামত লিখুন :