প্রবাসীর ফোন পেয়ে ততক্ষণাত খাদ্য পৌঁছালেন কুতুবদিয়া থানার – ওসি

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৩৪ PM, ১২ এপ্রিল ২০২০

কাইছার সিকদার:

প্রবাসে যারা দেশের মায়া ত্যাগ করে রোজগারের জন্য পড়ে থাকেন উদ্দেশ্য শুধু একটাই যেন দেশের মাটিতে স্ত্রী, সন্তান দোবেলা খেয়ে পড়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারে৷ কিন্তু পরিস্থিতি সবসময় মানুষের চাহিদার অনুকূলে থাকে না৷ এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে গেলো নোভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আতঙ্কে৷

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশে অবরোধ ধারাবাহিকতায় চলে আসছে, প্রভাব শুধু এক জায়গায় পড়েনি, পড়েছে দিন মজুর থেকে শুরু করে সমাজের সব স্থরের মানুষের মাঝে৷ প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলে ও কারণ যেন শুধু একটাই, অভুক্ত থাকার অভ্যেসটা যেন ইতি মধ্যে চর্চা করে নিয়েছেন ধনী, গরীব সকলেই৷ প্রবাসীর পরিবার ও বাদ যায়নি, তাই ক্ষুধার জ্বালা সংবরণ করতে না পেরে সুদুর প্রবাস থেকেই ফোন দিয়ে বসলেন এক প্রবাসী কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা – দিদারুল ফেরদৌস এর মুটো ফোনে, ওপাস থেকে আবেদন ছিল তাঁহার অভুক্ত পরিবার যেন খাদ্য সহায়তা পায়৷

এ ব্যাপারে ওসি – দিদারুল ফেরদৌস জানান, গত কয়েকদিন আগে আমার কাছে বিদেশী নাম্বার থেকে একটা ফোন আসে, অপর প্রান্ত থেকে বলছিলেন একজন প্রবাসী – (আমার স্ত্রী সন্তান গত কয়দিন ধরে না খেয়ে আছে , আমি নিরুপায় হয়ে আপনাকে ফোন দিয়েছি , দয়া করে তাঁদের সহায়তা করুন) আমি সত্যিই চমকে গেলাম এবং যত দ্রুত সম্ভব ওনার দেওয়া ঠিকানায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যাবস্থা করলাম৷

তিনি আরো জানান, কুতুবদিয়ার ভিন্ন ভিন্ন আরো কয়েক জায়গায় এরকম (৪০) টি প্রভাসী পরিবারকে ফোন পেয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানো হয়েছে এবং চলমান দুর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ সহায়তা চালু থাকবে৷

এছাড়া কুতুবদিয়ার হতদরিদ্র পরিবার গুলোর মাঝে তিনি দুর্যোগের শুরু থেকে বিভিন্ন সহায়তা করে আসছেন এবং সংকট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান৷

আপনার মতামত লিখুন :