হতাহত হওয়ার আগেই খুরুলিয়ার লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টার ভেঙে ফেলার দাবি | সি কক্স নিউজ

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৯:০৫ PM, ১৭ মে ২০২০

জসীম উদ্দীন:

হঠাৎ কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ায় লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয়রা ভবনটি ভেঙে ফেলার দাবি জানানোয় এই আলোচনার জন্ম। ভবনটি মালিক নাজির হোসেন নামের খুরুলিয়ার একজন স্থানীয় বাসিন্দা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,কমিউনিটি সেন্টারটি তে পুরো বছর জুড়ে বিয়ে, গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান, পার্টিসহ অনান্য সামাজিক অনুষ্ঠান চলে। বর্তমান করোনাকালীন সময় ভবনটিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও সংস্থা মালামাল প্যাকেটসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে।

জানা যায়, সম্প্রতি ভবনটির ভিতরে বাইরে ব্যাপক ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনসময় ভবনটি ধসে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে। তাই ভবনটির আশেপাশে বসবাসকারী স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠায় স্থানীয়রা হতাহত হবার আগে ভবনটি ভেঙে পূনরায় নির্মাণের দাবি জানিয়েছে। ফাটল যাতে মানুষের চোখে না পড়ে সে জন্য গোপনে ফাটল স্থান গুলো সংস্কার করছে ভবনটির মালিক।

স্থানীয়রা জানান, ইট দিয়ে কোনরকম বসবাসের জন্য টিনসিট করে ঘর হিসেবে প্রস্তুতকৃত করেছিলেন মালিক নাজির হোসেন। পরে কোন ফাউন্ডেশন ও পর্যাপ্ত রড় ব্যবহার না করে বহুলত ভবন হিসেবে গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে ভবনটি বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কারনে ভবনটি যে কোনসময় ভেঙে শত শত মানুষ হতাহত হতে পারে বলে আংশঙ্কা করা হচ্ছে।

মালিক পক্ষ স্থানীয়দের কোন কথায় শুনছে না বলে দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তাঁরা। স্থানীয়রা বলছে, যার জায়গা সে ১০০তলা ভবন করুক, আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ভবন তুলে সাধারণ মানুষকে অনিরাপদ করার অধিকার কারোই নেই। তাই তদন্ত করে ভবনটি ভেঙে ফেলতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অনুরোধ জানান স্থানীয়রা।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে পশু জবাই করে কিন্তু বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা নাই। যার কারণে পশুর বর্জ্যের দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষ আগে থেকে অতিষ্ঠ। এতে করে অতীতে অনেকই নানান রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি সচেতন মহলের।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কয়েকজন জানান, ভবনটির মালিক কারোই কথা শুনছে না। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে এগিয়ে আসার অনুরোধ তাঁদের।

ভবনটি নিয়ে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে। লালগোলাপ ভবনটি নির্মাণে পরিবেশ অধিদফতরের কোন ছাড়পত্র নেয়া হয়নি, এমন কি আবেদনও করা হয়নি। আয়কর অফিস, ইনকাম ট্যাক্সের কোনো রির্টান জমা করেনি ভবনটির মালিক। ফলে একটি টাকাও সরকারি কোষাগারে জামা দেয়নি মালিক।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ভবনটির মালিক নাজির হোসেন কোন উত্তর না দিয়ে তথ্য প্রদানকারীদের তথ্য জানতে চান, তাঁদের দেখে নেয়ার জন্য।

বিষয়টি দতন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলো।

Channel Cox New.

আপনার মতামত লিখুন :