• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

তারেক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৯০ ভিউ টাইম
আপডেট : রবিবার, ১ মে, ২০২২

ঈদগাঁও থানাধীন ওয়াহেদপাড়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ক্লুলেস “তারেক হত্যাকান্ড”র রহস্য উন্মোচনপূর্বক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫

১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী গ্রেফতার, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, জঙ্গীবাদ দমন এবং চাঞ্চল্যকর অপরাধ উদঘাটন করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। গত ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখ ভোরবেলায় ঈদগাঁও থানাধীন ওয়াহেদেরপাড়া গ্রামে একটি নৃশংস হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়। হত্যাকান্ডের শিকার ভিকটিম *তারেক (১৭) তার মায়ের সাথে দিদার ব্রিক ফিল্ডের নিকট অবস্থিত তাদের নিজস্ব চায়ের দোকানে কাজ করতো। ঘটনার দিন ভিকটিম ফজরের নামাজ শেষে দোকানে যায়। দোকানের পাশেই একটি গাড়ীর গ্যারেজ রয়েছে। ঐ গ্যারেজের একজন ড্রাইভার আনুমানিক ভোর ০৫.১৫ ঘটিকায় তারেককে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করে। তার প্রেক্ষিতে গত ১১ এপ্রিল ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ঈদগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি এলাকায় খুব চাঞ্চল্য তৈরি করে এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হয়।

৩। বিষয়টি র‌্যাবের নজরে আসলে আসামী গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষন এবং ভিকটিমের চুরি হওয়া মোবাইলের সূত্র ধরে র‌্যাব আসামী গ্রেফতারের তৎপরতা শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষনের মাধ্যমে র‌্যাব একজন সন্দেহভাজন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল গত ৩০ এপ্রিল ২০২২ তারিখ আনুমানিক ২০.৩০ ঘটিকায় ঈদগাঁও থানাধীন বংকিবাজার এলাকা থেকে ভিকটিমের চুরি হওয়া মোবাইলসহ আসামী মোঃ মহসিন ফকির (২১), পিতা-মোঃ ইমাম ফকির, মাতা-নূরজাহান বেগম, সাং-ভাগ্যকুল, ০৮ নং ওয়ার্ড, থানা-শ্রীনগর, জেলা-মুন্সিগঞ্জ (বর্তমানে সাং-টেলিপাড়া, থানা-ঈদগাঁও, জেলা-কক্সবাজার)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় লোকদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী মহসিন ফকির চুরি, ছিনতায়ের সাথে জড়িত এবং এলাকার বিভিন্ন গ্যাং এর সাথে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

৪। গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পূর্বের মামলা মোতাবেক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।


আরো বিভন্ন বিভাগের নিউজ