• শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

মায়ানমার থেকে আসছে মর্টার শেলের শব্দ, আতঙ্ক আছে টেকনাফের মানুষ

ডেস্ক নিউজ / ৫৬ ভিউ টাইম
আপডেট : বুধবার, ৮ মে, ২০২৪

মায়ানমার থেকে আসছে মর্টার শেলের শব্দ, আতঙ্ক আছে টেকনাফের মানুষ
মায়ানমার থেকে আসছে মর্টার শেলের শব্দ, আতঙ্ক আছে টেকনাফের মানুষ

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপে আরাকান আর্মি ও দেশটির সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি চলছে। দুই পক্ষই মর্টার শেল নিক্ষেপ করছে। মঙ্গলবার দিনভর টেকনাফের সীমান্তবর্তী জালিয়াপাড়া ও সুদারপাড়া গোলার শব্দে কেঁপে ওঠে।

টেকনাফ সীমান্তের বাসিন্দারা জানান, শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া, নাজিরপাড়া, মৌলভীপাড়া, খোনকারপাড়া, চৌধুরীপাড়া ও দক্ষিণ জালিয়াপাড়ায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আগের চেয়ে গতকাল গোলার শব্দ বেশি আসে। জালিয়াপাড়ার দিনমজুর শফিক মিয়া বলেন, ‘খুব ভয়ে আছি। ওপারে অনেক গোলাগুলি হচ্ছে। ফের রোহিঙ্গা আসতে পারে।’

ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা জানান, মংডু টাউনশিপে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১ নম্বর সেক্টরে হামলা চালিয়েছে আরাকান আর্মি। তারা বিজিপির ক্যাম্পটি দখলে নিয়েছে। কিন্তু বিজিপি সেটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে মংডুর রোহিঙ্গাদের আটটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘রাখাইনে সংঘাত মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবু সীমান্তে ও নাফ নদ জেটিতে প্রয়োজন ছাড়া লোকজনের ঘোরাঘুরি নিষেধ করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ যাতে না ঘটে, সেদিকে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।’

ওপারে গোলাগুলির কারণে সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ কায়ুকখালী বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। তিনি বলেন, ‘সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় আপাতত মাছ শিকার বন্ধ রয়েছে।’ নাফ নদে ট্রানজিট জেটিঘাটে টোল আদায়কারী ইমাম হোসেন বলেন, ‘দুই দিন ধরে জেটিঘাটে লোকজন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ‘ওপারে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।’

অন্যদিকে গত দু’দিনে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের ১২৮ বিজিপি সদস্য এপারে এসে আত্মসমর্পণ করেছে। তাদের সবাইকে নিরস্ত্র করে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়েছে। এর আগে দুই দফায় পালিয়ে আসা মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাবাহিনীর ৬১৮ জনকে ফেরত পাঠানো হয়


আরো বিভন্ন বিভাগের নিউজ