ছিন্নমূল শিশুদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, রাতের খাবার বিতরণ

Channel Cox.ComChannel Cox.Com
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:৪৬ AM, ২৩ এপ্রিল ২০২০

মহিউদ্দিন মাহী
চারদিকে যখন লকডাউন, শুন-শান নিরবতা তখন সন্ধ্যার পরিবেশ অনেকটা ভিন্ন কক্সবাজারে। এখানে কখন যেন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে ঘুরপাক খাই ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ছুটি চলছে। ফাঁকা হয়ে পড়েছে পোর কক্সবাজার। তবে থেমে নেই পুলিশের কর্মব্যস্ততা। নিজেদের দায়িত্ব পালনের পরও মানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। প্রতিদিন রাস্তার মোড়ে মোড়ে অপক্ষো করা ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের একবেলা খাবার দিচ্ছে। বিকেল পেরিয়ে যখন সন্ধ্যা নামে ঠিক তখনই এসব ছিন্নমূল মানুষদের খাবার নিয়ে প্রতিদিনই ছুটে চলছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। ‘মানষ মানুষের জন্য’ এই মহান মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের খুঁজে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে একটি টিম।
কখনো কক্সবাজার শহরের ফুটপাতে আবার কখনো কাগজ কুড়িয়ে আহার জোগাতো সেসব পথশিশুদের খাবার পৌঁছে দিতে ছুটে যায় শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের নারী কল্যাণ তহবিল থেকে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫শ অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয় কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
এক সময় পুলিশের গাড়ি দেখলে যখন পালিয়ে যেতো সেসব ছিন্নমূল শিশুই এখন পুলিশের গাড়ি দেখলে খাবারের জন্য এগিয়ে আসছে। করোনার এই কঠিন সময়ে এ ধারাবাহিকতায় চালিয়ে যাবেন বলে জানান কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন।
তিনি জানান. কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় খেটে খাওয়া মানুষকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে একবেলা করে খাবার খাওয়াবেন। সেই অনুযায়ী প্রতিদিনই খাবার বিতরন করছে জেলা পুলিশ। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিতে কক্সবাজার জেলা পুলিশের সকল কর্মকর্তাদের বেতন থেকে একটি কল্যাণ তহবিলও গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও লকডাউনে কেউ ঘর থেকে বের হতে না পারলেও জেলা পুলিশকে ফোন করলে তাদেরও পর্যাপ্ত খাবার পৌছে দিচ্ছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
মহিউদ্দিন মাহী
চারদিকে যখন লকডাউন, শুন-শান নিরবতা তখন সন্ধ্যার পরিবেশ অনেকটা ভিন্ন কক্সবাজারে। এখানে কখন যেন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে ঘুরপাক খাই ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ছুটি চলছে। ফাঁকা হয়ে পড়েছে পোর কক্সবাজার। তবে থেমে নেই পুলিশের কর্মব্যস্ততা। নিজেদের দায়িত্ব পালনের পরও মানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। প্রতিদিন রাস্তার মোড়ে মোড়ে অপক্ষো করা ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের একবেলা খাবার দিচ্ছে। বিকেল পেরিয়ে যখন সন্ধ্যা নামে ঠিক তখনই এসব ছিন্নমূল মানুষদের খাবার নিয়ে প্রতিদিনই ছুটে চলছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। ‘মানষ মানুষের জন্য’ এই মহান মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছিন্নমূল শিশু ও অসহায় মানুষদের খুঁজে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে একটি টিম।
কখনো কক্সবাজার শহরের ফুটপাতে আবার কখনো কাগজ কুড়িয়ে আহার জোগাতো সেসব পথশিশুদের খাবার পৌঁছে দিতে ছুটে যায় শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের নারী কল্যাণ তহবিল থেকে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫শ অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয় কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
এক সময় পুলিশের গাড়ি দেখলে যখন পালিয়ে যেতো সেসব ছিন্নমূল শিশুই এখন পুলিশের গাড়ি দেখলে খাবারের জন্য এগিয়ে আসছে। করোনার এই কঠিন সময়ে এ ধারাবাহিকতায় চালিয়ে যাবেন বলে জানান কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন।
তিনি জানান. কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় খেটে খাওয়া মানুষকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে একবেলা করে খাবার খাওয়াবেন। সেই অনুযায়ী প্রতিদিনই খাবার বিতরন করছে জেলা পুলিশ। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিতে কক্সবাজার জেলা পুলিশের সকল কর্মকর্তাদের বেতন থেকে একটি কল্যাণ তহবিলও গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও লকডাউনে কেউ ঘর থেকে বের হতে না পারলেও জেলা পুলিশকে ফোন করলে তাদেরও পর্যাপ্ত খাবার পৌছে দিচ্ছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :