• বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০২:০৮ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English

একাধিকবার ধর্ষণের শিকার, বিচারের আগেই আত্মহত্যা কিশোরীর

ডেস্ক নিউজ
আপডেট : শুক্রবার, ৩ জুন, ২০২২
নমুনা ছবি

চার দিনের ব্যবধানে মাইমুনা ইয়াসমিন দুইবার ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মেয়েটির বাবার করা মামলায় এমনই অভিযোগ করা হয়েছিল। বিচার পাওয়ার আগেই ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। গত মঙ্গলবার রাতে ইয়াসমিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াসমিনকে হত্যা করা হতে পারে।
ইয়াসমিন সাতক্ষীরা শহরের দক্ষিণ কাটিয়া ঈদগাহ এলাকার আজিজুর রহমানের মেয়ে। সে শহরের নবারুন বালিকা বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকায় ধর্ষিতার চাচা মুনসুর আলীর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, গত ৩ মে সাতক্ষীরা শহরতলির ইটাগাছার বনলতা হাউজিং কমপ্লেক্স এলাকায় সহপাঠীর বাড়িতে পূর্বপরিচিত হৃদয় হোসেন তাকে ধর্ষণ করে। পরে ৭ মে সন্ধ্যার পর ইয়াসমিনের এক প্রতিবেশী নারীর সহযোগিতায় হৃদয় আবারও তাকে ধর্ষণ করে। হৃদয় (২১) জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের খলিসাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ইয়াসমিনের বাবা বাদী হয়ে হৃদয় এবং দুই নারীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত দুই নারীকে ছেড়ে দেয়। ভুক্তভোগী কিশোরীর জবানবন্দি ও ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গোলাম কবীর জানান, মাইমুনা ইয়াসমিনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরো বিভন্ন বিভাগের নিউজ